‘নিজেকে সর্বকালের সেরা মনে করি না’, ক্রিকেটের শেষবেলায়ও যে হার ভুলতে পারেননি কোহলি

ক্রিকেটের শেষবেলায়ও যে হার ভুলতে পারেননি কোহলি! দীর্ঘ ১৯ বছরের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটজীবনে অসংখ্য রেকর্ড গড়েছেন বিরাট কোহলি। এক দিনের ক্রিকেটে সচিন তেন্ডুলকরের একাধিক নজিরের কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছেন। তবু নিজেকে সর্বকালের…

September 27, 2026
1 min read

ক্রিকেটের শেষবেলায়ও যে হার ভুলতে পারেননি কোহলি!

দীর্ঘ ১৯ বছরের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটজীবনে অসংখ্য রেকর্ড গড়েছেন বিরাট কোহলি। এক দিনের ক্রিকেটে সচিন তেন্ডুলকরের একাধিক নজিরের কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছেন। তবু নিজেকে সর্বকালের সেরা ক্রিকেটারদের তালিকার শীর্ষে রাখতে রাজি নন ভারতের প্রাক্তন অধিনায়ক। বরং তাঁর মতে, বিভিন্ন প্রজন্মের ক্রিকেটারদের মধ্যে তুলনা করাটাই অর্থহীন।

ওয়েস্ট ইন্ডিজ়ের বিরুদ্ধে এক দিনের সিরিজ়ের আগে এক সাক্ষাৎকারে কোহলিকে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল, তিনি নিজেকে সর্বকালের অন্যতম সেরা মনে করেন কি না। উত্তরে তিনি বলেন, ‘‘আমি নিজেকে সর্বকালের সেরা বলে মনে করি না। বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন খেলোয়াড় এসেছেন। তাঁদের অসাধারণ সব কীর্তি, অর্জন রয়েছে। হয়তো আমার মতো পরিসংখ্যান তাঁদের নেই। আবার কারও কারও পরিসংখ্যান আমার চেয়েও ভাল।’’

কোহলির কাছে অবশ্য সংখ্যার চেয়েও গুরুত্বপূর্ণ অন্য একটি বিষয়—দলের উপর প্রভাব। তাঁর কথায়, শেষ পর্যন্ত একজন ক্রিকেটার কতটা প্রভাব তৈরি করতে পেরেছেন, সেটাই বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

দীর্ঘ কেরিয়ার নিয়ে সন্তুষ্ট কোহলি। এখনও ক্রিকেট খেলতে এবং দেশের হয়ে মাঠে নামতে আগের মতোই উপভোগ করেন বলে জানিয়েছেন তিনি। তাঁর মতে, এত বছর ধরে ভাল পারফর্ম করার জন্য অনুপ্রেরণা, ফিটনেস, অভিজ্ঞতা এবং খেলা সম্পর্কে বোঝাপড়া—সবকিছুরই প্রয়োজন।

কোহলি বলেন, ‘‘এত বছর ধরে খেলা চালিয়ে যেতে পারা আমার সৌভাগ্য। এত দীর্ঘ সময় ধরে ভাল খেলার জন্য অনুপ্রাণিত থাকাটা গুরুত্বপূর্ণ। তবে আসল লক্ষ্য দলের সাফল্যে এবং উন্নতিতে অবদান রাখা। যতক্ষণ সব কিছু ইতিবাচক থাকে এবং তার সঙ্গে ফিটনেস, অভিজ্ঞতা, খেলা সম্পর্কে ধারণা, অনুপ্রেরণা ঠিক থাকে, ততক্ষণ উপভোগ্য হয়। দেশের হয়ে খেলা এখনও আমার কাছে বিরাট সম্মানের।’’

তবে এত বছরের ক্রিকেটজীবনে একটি হার এখনও তাঁকে তাড়া করে বেড়ায়। সেটি ২০২৩ সালের বিশ্বকাপ ফাইনাল নয়। কোহলির কাছে আরও যন্ত্রণার স্মৃতি ২০১৯ সালের বিশ্বকাপ সেমিফাইনালে নিউজ়িল্যান্ডের কাছে হার।

সেই ম্যাচে বৃষ্টির কারণে ভারত প্রথমে ব্যাট করে ২৪০ রান করেছিল। ম্যাচের বাকি অংশ পরের দিন খেলা হয়। নিউজ়িল্যান্ড পরিস্থিতি কাজে লাগিয়ে রান তাড়া করে ভারতকে হারিয়ে ফাইনালে ওঠে।

কোহলির কথায়, ২০১৯ সালের সেই হার ছিল বিরাট ধাক্কা। ২০১৫ সালে অস্ট্রেলিয়ার কাছে সেমিফাইনালে হারের সঙ্গে এই পরাজয়ের তুলনা করে তিনি জানিয়েছেন, নিউজ়িল্যান্ডের বিরুদ্ধে ম্যাচটির ফল তিনি মেনে নিতে পারেননি।

‘‘ওই ভাবে হারটা মেনে নিতে পারিনি। খুব হতাশ হয়ে পড়েছিলাম। প্রায় দু’মাস বিধ্বস্ত ছিলাম,’’ বলেছেন কোহলি।

অর্থাৎ কেরিয়ারের শেষ প্রান্তে দাঁড়িয়েও কোহলির কাছে ক্রিকেটের স্মৃতিতে শুধু রেকর্ড বা সাফল্যই নেই। কিছু হারও একই ভাবে থেকে গিয়েছে মনে। আর ২০১৯-এর নিউজ়িল্যান্ড ম্যাচটি যে তাঁর কাছে তেমনই একটি অধ্যায়, তা তাঁর কথাতেই স্পষ্ট।

রাহার জন্মের পর দ্রুত ওজন কমিয়ে কটাক্ষের শিকার আলিয়া, কী ছিল তাঁর রহস্য?।

Follow us on Google News Get real-time updates & exclusive sports coverage
Follow

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *