দলের সেরা রানস্কোরার হয়েও কোচের মন ভরছে না!!
মাত্র ১৫ বছর বয়সেই আইপিএলে ঝড় তুলেছে বৈভব সূর্যবংশী। রাজস্থান রয়্যালসের হয়ে এ মরসুমে সবচেয়ে বেশি রানও এসেছে তাঁর ব্যাট থেকে। তবু কোচ কুমার সঙ্গকারা এখনও পুরোপুরি সন্তুষ্ট নন। কারণ, বৈভবের মধ্যে তিনি আরও বড় কিছু দেখছেন।
দিল্লি ক্যাপিটালসের বিরুদ্ধে আবারও দুরন্ত শুরু করেছিলেন বৈভব। মাত্র ২১ বলে ৪৬ রান করে রাজস্থানকে দ্রুত রান তোলার ভিত গড়ে দেন তিনি। পাঁচটি চার ও তিনটি ছক্কায় সাজানো ইনিংস দেখে বোঝাই যাচ্ছিল, কতটা সহজে বড় শট খেলতে পারেন এই তরুণ ব্যাটার। কিন্তু সঙ্গকারার মতে, শুধু ঝোড়ো ইনিংস খেললেই হবে না, ম্যাচ জেতানোর মতো বড় ইনিংস খেলতে শিখতে হবে তাঁকে।
ম্যাচ চলাকালীন রাজস্থানের কোচ বলেন, বৈভব কয়েক ওভার ক্রিজে থাকলেই ৩০-৪০ রান তুলে দিচ্ছে, কিন্তু দলের প্রত্যাশা আরও বেশি। তাঁর মতে, বৈভবকে ইনিংস বড় করতে হবে, আরও বেশি সময় উইকেটে থাকতে হবে এবং পরিস্থিতি বুঝে ব্যাট করতে শিখতে হবে।
সঙ্গকারা স্পষ্টই বুঝিয়ে দিয়েছেন, বৈভবের প্রতিভা নিয়ে কোনও সন্দেহ নেই। বরং সমস্যা একটাই— এত অল্প বয়সে সে এত সহজে রান করে ফেলছে যে, কখনও কখনও অযথা ঝুঁকি নিয়ে ফেলে। কোচ চান, আগ্রাসন বজায় রেখেও ইনিংস গড়ার মানসিকতা তৈরি করুক সে। কারণ, বৈভব যদি ১৫-২০ ওভার ব্যাট করতে পারে, তা হলে রাজস্থানের স্কোর অন্য মাত্রায় পৌঁছে যাবে।
তবে কঠোর সমালোচনার বদলে সঙ্গকারা বৈভবকে সময় দিতে চাইছেন। তিনি জানেন, ১৫ বছরের একটি ছেলের উপর অতিরিক্ত চাপ দিলে উল্টো প্রভাব পড়তে পারে। তাই ক্রিকেটের টেকনিক নিয়ে খুব বেশি কথা বলেন না তিনি। বরং চান, বৈভব খেলাটা উপভোগ করুক।
সঙ্গকারা জানিয়েছেন, নেটে বৈভব ঘণ্টার পর ঘণ্টা ব্যাট করে। বোলারদের নিজেই বলে দেয় কোথায় বল করতে হবে। ক্রিকেট নিয়ে তার কৌতূহল ও আগ্রহই সবচেয়ে বেশি মুগ্ধ করেছে রাজস্থানের কোচকে।
বৈভবকে তিনি মূলত একটি পরামর্শই দিয়েছেন— যে শট খেলবে, পুরো আত্মবিশ্বাস নিয়ে খেলবে। মনে কোনও দ্বিধা রাখা যাবে না। সঙ্গকারার মতে, এই আত্মবিশ্বাসই বৈভবের সবচেয়ে বড় শক্তি।
চলতি আইপিএলে ইতিমধ্যেই একটি শতরান ও দু’টি অর্ধশতরান করেছে বৈভব। স্ট্রাইক রেটও চোখ কপালে তোলার মতো। কিন্তু রাজস্থান শিবির মনে করছে, এ তো শুধু শুরু। ভারতীয় ক্রিকেট হয়তো ভবিষ্যতের এক বড় তারকার উত্থান দেখছে।
স্ট্রোকের পর কেমন আছেন রাহুল রায়? পরিবারের সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে গুজবে মুখ খুললেন অভিনেতা