তহেলকা প্রতিষ্ঠাতা তরুণ তেজপাল ধর্ষণ মামলায় দোষী!
২০১৩ সালের বহুল আলোচিত যৌন নির্যাতন মামলায় তহেলকার প্রতিষ্ঠাতা তরুণ তেজপালকে দোষী সাব্যস্ত করে ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিল বম্বে হাই কোর্ট। আদালত তাঁকে আত্মসমর্পণের জন্য দু’সপ্তাহ সময় দিয়েছে। তবে এই রায়ের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে যাওয়ার কথা জানিয়েছেন তেজপাল।
এই মামলার সূত্রপাত ২০১৩ সালের নভেম্বরে। তহেলকারই এক তরুণী সহকর্মীর অভিযোগ ছিল, গোয়ার একটি পাঁচতারা হোটেলের লিফটে পরপর দু’দিন তাঁকে যৌন হেনস্থা ও ধর্ষণ করেছিলেন তেজপাল। অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু করে গোয়া পুলিশ। তদন্তে হোটেলের সিসিটিভি ফুটেজ এবং অন্যান্য প্রমাণ অভিযোগের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ বলে দাবি করে তদন্তকারী সংস্থা।
২০১৩ সালের ৩০ নভেম্বর তেজপালকে গ্রেফতার করা হয়। প্রায় ছয় মাস জেলে থাকার পর ২০১৪ সালে সুপ্রিম কোর্ট থেকে তিনি জামিন পান। পরে ২০১৭ সালে গোয়ার আদালত তাঁর বিরুদ্ধে ধর্ষণ, যৌন নির্যাতন ও অনৈতিক আচরণের অভিযোগে বিচার চালানোর অনুমতি দেয়। যদিও ২০২১ সালে গোয়ার নিম্ন আদালত প্রমাণের অভাবের কথা উল্লেখ করে তাঁকে বেকসুর খালাস দেয়।
সেই রায়কে চ্যালেঞ্জ করে গোয়া সরকার বম্বে হাই কোর্টে আবেদন জানায়। বিচারপতি নীলা গোখেল এবং অমিত জামসান্দেকর-এর ডিভিশন বেঞ্চ নিম্ন আদালতের রায় বাতিল করে তেজপালকে দোষী সাব্যস্ত করে ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ডের নির্দেশ দিয়েছে।
রায় ঘোষণার সময় তেজপাল আদালতে বলেন, তাঁর বয়স ৬২ বছর, তাঁকে “ফাঁসানো হয়েছে” এবং তিনি এই রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চতর আদালতের দ্বারস্থ হবেন। অতীতেও তিনি দাবি করেছিলেন, গোয়ার তৎকালীন বিজেপি সরকারের সমালোচনা করার কারণেই রাজনৈতিক প্রতিহিংসাবশত তাঁর বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে।
অন্যদিকে, গোয়া সরকারের বক্তব্য ছিল, তদন্তে সংগৃহীত সাক্ষ্যপ্রমাণ, সিসিটিভি ফুটেজ এবং অন্যান্য তথ্য অভিযোগকে সমর্থন করে। হাই কোর্টও সেই যুক্তি গ্রহণ করে নিম্ন আদালতের খালাসের রায় বাতিল করেছে।
এখন নজর থাকবে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তেজপাল সুপ্রিম কোর্টে আবেদন করেন কি না এবং সেখানে এই মামলার পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া কোন দিকে এগোয়।
রাহার জন্মের পর দ্রুত ওজন কমিয়ে কটাক্ষের শিকার আলিয়া, কী ছিল তাঁর রহস্য?।