চ্যাম্পিয়ন্স লিগ টু-তে ইস্টবেঙ্গলের অভিযান শুরু
ডুরান্ড কাপ জয়ের পর এ বার এশিয়ার মঞ্চে ইস্টবেঙ্গলের সামনে নতুন পরীক্ষা। বুধবার এএফসি চ্যাম্পিয়ন্স লিগ টু-র গ্রুপ পর্বে প্রথম ম্যাচ খেলতে নামছে লাল-হলুদ। প্রতিপক্ষ জর্ডনের আল হুসেইন। দলের একাধিক ফুটবলার চোটের কারণে বাইরে থাকলেও ম্যাচের আগে বিন্দুমাত্র উদ্বিগ্ন নন কোচ আন্তোনিয়ো লোপেস হাবাস। বরং সাম্প্রতিক জয়ের ছন্দ এশিয়ার প্রতিযোগিতাতেও ধরে রাখার ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসী তিনি।
চোটের কারণে বেশ কয়েক জন ফুটবলারকে জর্ডনে নিয়ে যেতে পারেননি হাবাস। মহম্মদ রশিদেরও সামান্য চোট রয়েছে। ফলে পূর্ণ শক্তির দল নিয়ে মাঠে নামতে পারবে না ইস্টবেঙ্গল। তবে পরিস্থিতিকে অজুহাত হিসেবে দেখছেন না স্প্যানিশ কোচ।
ম্যাচের আগে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে হাবাস জানান, চ্যাম্পিয়ন্স লিগ টু-র গ্রুপ পর্বে জায়গা করে নিতে পেরে তাঁর দল খুশি। তাঁর কথায়, এশিয়ার অন্যতম বড় মঞ্চে নিজেদের ফুটবল তুলে ধরার সুযোগ পাওয়া ইস্টবেঙ্গলের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। গত দু’মাস ধরে দল যে জয়ের ধারায় রয়েছে, সেই ধারাবাহিকতাই ধরে রাখতে চান তিনি।
প্রতিপক্ষ আল হুসেইনকে অবশ্য হাবাস হালকা ভাবে দেখছেন না। তাঁর মতে, জর্ডনের দলটি যথেষ্ট শক্তিশালী। তবে নিজেদের স্বাভাবিক খেলায় আস্থা রেখেই তিন পয়েন্টের জন্য লড়াই করবে ইস্টবেঙ্গল।
ইস্টবেঙ্গলের আত্মবিশ্বাসের কারণও রয়েছে। অন্য দিকে, আল হুসেইন এই মুহূর্তে খুব একটা ভাল ছন্দে নেই। কিছু দিন আগেই দলের কোচ আহমেদ হায়েল দায়িত্ব ছেড়ে দিয়েছেন। জর্ডন প্রো লিগে পাঁচটি ম্যাচ খেলে মাত্র একটি জয় পেয়েছে তারা। ফলে কোচের পরিবর্তন এবং সাম্প্রতিক ফলাফলের চাপে কিছুটা অস্থির আল হুসেইন।
এই পরিস্থিতির সুযোগ নিতে চাইছে ইস্টবেঙ্গল। প্রতিপক্ষের রক্ষণ ও মাঝমাঠের অগোছালো পরিস্থিতিকে কাজে লাগিয়ে শুরু থেকেই চাপ তৈরি করার পরিকল্পনা থাকতে পারে হাবাসের। ডুরান্ডের সাফল্যের পর এ বার আন্তর্জাতিক মঞ্চেও নিজেদের শক্তি প্রমাণ করাই লাল-হলুদ শিবিরের লক্ষ্য।
এ দিন ইস্টবেঙ্গলের হয়ে অভিষেক হতে পারে ক্রোয়েশিয়ার ডিফেন্ডার দিয়েগো জ়িভুলিচের। চোটের কারণে দলের ভারসাম্যে কিছুটা সমস্যা তৈরি হলেও তাঁর অন্তর্ভুক্তি রক্ষণকে শক্তি দিতে পারে। সব মিলিয়ে চ্যাম্পিয়ন্স লিগ টু-র প্রথম ম্যাচেই ইস্টবেঙ্গলের সামনে গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা। হাবাসের লক্ষ্য একটাই—জর্ডন থেকে জয় নিয়ে ফেরা এবং ডুরান্ডের জয়ের ধারাকে এশিয়ার মঞ্চেও এগিয়ে নিয়ে যাওয়া।
রাহার জন্মের পর দ্রুত ওজন কমিয়ে কটাক্ষের শিকার আলিয়া, কী ছিল তাঁর রহস্য?।