খাওয়ার পর পান খাওয়ার অভ্যাস?
খাওয়ার শেষে পান খাওয়ার অভ্যাস রয়েছে অনেকেরই। কিন্তু রোজ পান সাজানোর ঝক্কি এড়িয়ে যদি একই রকম সতেজ স্বাদ পাওয়া যায় মুখশুদ্ধির এক মুঠোয়, তা হলে কেমন হয়? মৌরি, গোলাপের পাপড়ি, গুলকন্দ ও পানকুচির মতো কয়েকটি উপকরণ দিয়েই বাড়িতে তৈরি করে নিতে পারেন পানের স্বাদে অনুপ্রাণিত এই মুখশুদ্ধি।
আলাদা করে চিনি যোগ করার প্রয়োজন নেই। গুলকন্দ এবং বিভিন্ন বেরির প্রাকৃতিক মিষ্টিতেই মুখশুদ্ধিতে মিষ্টি স্বাদ আসে। খাওয়ার শেষে অল্প পরিমাণে এই মুখশুদ্ধি মুখে সতেজতা আনতে পারে।
কী কী উপকরণ লাগবে?
আধ কাপ মৌরি, ২ টেবিলচামচ শুকনো গোলাপের পাপড়ি, ২ টেবিলচামচ গোটা ধনে, ১ চা-চামচ এলাচগুঁড়ো, এক-চতুর্থাংশ কাপ শুকনো নারকেলকুচি, ২ টেবিলচামচ বিভিন্ন ধরনের বেরি, ২ টেবিলচামচ গুলকন্দ এবং ২ টেবিলচামচ কুচোনো পানপাতা।
কী ভাবে বানাবেন?
প্রথমে কড়াই গরম করে তাতে মৌরি, শুকনো গোলাপের পাপড়ি, গোটা ধনে, শুকনো নারকেলকুচি এবং এলাচগুঁড়ো দিয়ে দিন। আঁচ কমিয়ে প্রায় দু’মিনিট ধীরে ধীরে নাড়াচাড়া করে উপকরণগুলি ভেজে নিন। বেশি আঁচে ভাজবেন না, তা হলে গোলাপের পাপড়ি এবং নারকেল পুড়ে যেতে পারে।
ভাজা হয়ে গেলে আঁচ বন্ধ করে মিশ্রণটি পুরোপুরি ঠান্ডা হতে দিন। গরম মিশ্রণের সঙ্গে গুলকন্দ বা পানপাতা মেশানো ঠিক হবে না, তাই এই ধাপটি গুরুত্বপূর্ণ।
মিশ্রণ ঠান্ডা হয়ে গেলে তাতে গুলকন্দ, কুচোনো পানপাতা এবং বিভিন্ন ধরনের বেরি দিয়ে ভাল করে মিশিয়ে নিন। সব উপকরণ সমান ভাবে মিশে গেলেই তৈরি ঘরোয়া মুখশুদ্ধি।
এ বার মুখশুদ্ধিটি একটি বায়ুনিরোধী পাত্রে ভরে রাখুন। ঠিক ভাবে সংরক্ষণ করলে প্রায় দু’মাস পর্যন্ত রাখা যেতে পারে। খাওয়ার পরে অল্প পরিমাণে মুখশুদ্ধি হিসেবে পরিবেশন করুন।
আলাদা করে চিনি না থাকলেও মনে রাখতে হবে, গুলকন্দ ও বেরিতে প্রাকৃতিক চিনি থাকে। তাই একে সম্পূর্ণ চিনি-মুক্ত খাবার বলা যাবে না। তবে ঘরে তৈরি করে উপকরণের পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করা যায়—এটাই এই মুখশুদ্ধির অন্যতম সুবিধা।
রাহার জন্মের পর দ্রুত ওজন কমিয়ে কটাক্ষের শিকার আলিয়া, কী ছিল তাঁর রহস্য?