কেকেআরের জয়ের রাতে ইডেনে উচ্ছ্বাস, মুম্বইকে হারিয়ে প্লে-অফের আশা আরও জোরালো

কেকেআরের জয়ের রাতে ইডেনে উচ্ছ্বাস! ইডেন গার্ডেন্সে আবারও জয়ের হাসি ফিরল কলকাতা নাইট রাইডার্সের মুখে। মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের বিরুদ্ধে এক গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে ৪ উইকেটে জয় তুলে নিয়ে প্লে-অফের দৌড়ে নিজেদের টিকিয়ে…

May 21, 2026
1 min read

কেকেআরের জয়ের রাতে ইডেনে উচ্ছ্বাস!

ইডেন গার্ডেন্সে আবারও জয়ের হাসি ফিরল কলকাতা নাইট রাইডার্সের মুখে। মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের বিরুদ্ধে এক গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে ৪ উইকেটে জয় তুলে নিয়ে প্লে-অফের দৌড়ে নিজেদের টিকিয়ে রাখল অজিঙ্ক রাহানের দল। বৃষ্টিবিঘ্নিত এই ম্যাচে শুরু থেকেই বোঝা যাচ্ছিল, চাপ সামলানোর লড়াইটাই আসল পরীক্ষা।

মুম্বই প্রথমে ব্যাট করতে নেমে পুরো ২০ ওভারে ৮ উইকেটে ১৪৭ রানই তুলতে পারে। ইডেনের পিচে বল থেমে আসছিল, গতির তারতম্যে ব্যাটারদের সমস্যা হচ্ছিল। এই সুযোগটাই কাজে লাগান কেকেআরের বোলাররা। পাওয়ার প্লের মধ্যেই চার উইকেট তুলে নিয়ে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ অনেকটাই নিজেদের দিকে নিয়ে আসে তারা।

ক্যামেরন গ্রিন ও সৌরভ দুবে শুরুতেই মুম্বইকে চাপে ফেলে দেন। রায়ান রিকেলটন ও নমন ধীর দ্রুত ফিরে যাওয়ার পর রোহিত শর্মা ও সূর্যকুমার যাদবও বড় ইনিংস খেলতে পারেননি। মাঝের ওভারগুলোতে স্পিনার বরুণ চক্রবর্তী ও সুনীল নারাইনের নিয়ন্ত্রিত বোলিং মুম্বইয়ের রান তোলার গতি আরও কমিয়ে দেয়। নারাইন ৪ ওভারে মাত্র ১৩ রান দিয়ে ১ উইকেট নেন—আবারও তার কৃপণ বোলিং নজর কাড়ে।

শেষ দিকে কর্বিন বশ ১৮ বলে ৩২ রানের ঝড়ো ইনিংস না খেললে মুম্বইয়ের স্কোর আরও কমই থাকত। তবু ১৪৮ রানের লক্ষ্য কেকেআরের জন্য খুব বড় ছিল না, যদিও পিচ ব্যাটিং সহায়ক ছিল না।

রান তাড়া করতে নেমে শুরুটা ভালোই করেন ফিন অ্যালেন। কিন্তু আগ্রাসী শট খেলতে গিয়ে দ্রুতই আউট হয়ে যান তিনি। এরপর অধিনায়ক রাহানে ও মণীশ পাণ্ডে জুটি গড়ে দলকে স্থিতি দেন। যদিও রাহানে ব্যক্তিগত ২১ রানে ফিরে যান, তাতে বড় প্রভাব পড়েনি কেকেআরের ইনিংসে।

ম্যাচের টার্নিং পয়েন্ট আসে রভম্যান পাওয়েল ও মণীশ পাণ্ডের ব্যাটে। দু’জনেই ধীরে ধীরে চাপ সামলে রান তোলেন এবং মুম্বইয়ের ফিল্ডিংয়ের ভুলও কাজে লাগান। এক পর্যায়ে হার্দিক পান্ডিয়ার ক্যাচ মিস কেকেআরের জন্য বড় সুবিধা হয়ে দাঁড়ায়।

শেষ দিকে জসপ্রীত বুমরাহ কেকেআর শিবিরে চাপ তৈরি করলেও ততক্ষণে ম্যাচ অনেকটাই তাদের নাগালে চলে আসে। মণীশ ৩৩ বলে ৪৫ রান করে আউট হন, আর পাওয়েল ৩০ বলে ৪০ রানের গুরুত্বপূর্ণ ইনিংস খেলেন।

শেষে রিঙ্কু সিং ও অনুকূল রায় দায়িত্ব নিয়ে দলকে জয় এনে দেন। ৭ বল বাকি থাকতেই ৪ উইকেটে ম্যাচ জিতে নেয় কেকেআর।

এই জয়ের ফলে ১৩ ম্যাচে ১৩ পয়েন্ট নিয়ে পয়েন্ট তালিকায় ছয় নম্বরে উঠে এসেছে কলকাতা। প্লে-অফের আশা এখনও বেঁচে আছে, তবে শেষ ম্যাচে দিল্লি ক্যাপিটালসের বিরুদ্ধে ফলই নির্ধারণ করবে ভাগ্য। শেষ সাত ম্যাচে ছয় জয়—রাহানের দলের এই প্রত্যাবর্তন নিঃসন্দেহে সমর্থকদের জন্য বড় স্বস্তির খবর।

স্ট্রোকের পর কেমন আছেন রাহুল রায়? পরিবারের সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে গুজবে মুখ খুললেন অভিনেতা

Follow us on Google News Get real-time updates & exclusive sports coverage
Follow

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *