“ঐন্দ্রিলার জন্য কিনতে কিনতেই শেষ টাকাপয়সা!”—বিদেশে গিয়ে নিজের জন্য কিছুই রাখতে পারলেন না অঙ্কুশ!

ঐন্দ্রিলার জন্য কিনতে কিনতেই শেষ টাকাপয়সা!! রোম্যান্সে মজে থাকা তারকাজীবনের গল্প কখনও কখনও হয়ে ওঠে নিখাদ বাস্তবের আয়না। একদিকে কেরিয়ারের চূড়ান্ত ব্যস্ততা, অন্যদিকে প্রেমিকের নিঃস্বার্থ ভালোবাসা—এই দুইয়ের মিশেলেই রচিত হল…

June 8, 2025
1 min read

ঐন্দ্রিলার জন্য কিনতে কিনতেই শেষ টাকাপয়সা!!

রোম্যান্সে মজে থাকা তারকাজীবনের গল্প কখনও কখনও হয়ে ওঠে নিখাদ বাস্তবের আয়না। একদিকে কেরিয়ারের চূড়ান্ত ব্যস্ততা, অন্যদিকে প্রেমিকের নিঃস্বার্থ ভালোবাসা—এই দুইয়ের মিশেলেই রচিত হল অভিনেতা অঙ্কুশ হাজরার সাম্প্রতিক সফরের কাহিনি। ‘রক্তবীজ ২’-এর গানের শুটিংয়ে তাইল্যান্ডে পাড়ি দিয়েছিলেন তিনি। আর সেই সফর থেকেই ফিরলেন একরাশ অভিজ্ঞতা আর শূন্য পকেট নিয়ে! কারণ, গোটা ভ্রমণেই নাকি তাঁর একমাত্র ফোকাস ছিল প্রেমিকা ঐন্দ্রিলা সেনের জন্য উপহার কেনা।

জি বাংলার জনপ্রিয় রিয়্যালিটি শো ‘ডান্স বাংলা ডান্স’-এ অঙ্কুশের কাণ্ডকারখানা দেখলে কারও বুঝতে বাকি থাকে না, তাঁর রসিকতা এবং মজার ভঙ্গিমা ঠিক কতটা মন কেড়ে নেয় দর্শকদের। কিন্তু সেই মানুষটাই যখন প্রেমিক হিসেবে হন নিবেদিতপ্রাণ, তখন ছবিটা যেন আরও বেশি হৃদয়গ্রাহী হয়ে ওঠে। আনন্দবাজার অনলাইনকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে অঙ্কুশ জানালেন, “এত কেনাকাটা করেছি ঐন্দ্রিলার জন্য, নিজের জন্য কিছু কেনারই আর সুযোগ পাইনি!”

‘রক্তবীজ ২’-এর শুটিংয়ের অভিজ্ঞতা নিয়েও আবেগে ভাসলেন অভিনেতা। আগের দিনের ছবির মতোই দীর্ঘ শিডিউলে কাজ, বিদেশে টিমের সঙ্গে একসঙ্গে গান শুটিং, পুরনো স্মৃতি ফিরিয়ে আনল তাঁর মনে। অঙ্কুশ বলেন, “এখন তো ১৫ দিনের মধ্যেই ছবির কাজ সেরে ফেলি। আগে ৫০ দিন ধরে কাজ চলত। এই ছবির সেটে এসে মনে হল, আবার যেন আগের মতো সিনেমা করছি।” ছবিতে কৌশানী মুখোপাধ্যায়ের বিপরীতে দেখা যাবে তাঁকে, খলনায়ক ‘মুনীর আলম’ চরিত্রে। নন্দিতা-শিবপ্রসাদ পরিচালিত এই ছবির জন্য আগ্রহ ছিল চূড়ান্ত।

গানের শুটিং শেষ হওয়ার পর বেশ খানিকটা সময় ছিল হাতে। সেই ফাঁকে তাইল্যান্ডের স্বাদ-গন্ধ-রং উপভোগ করেছেন অঙ্কুশ। খেয়েছেন প্রচুর ডাবের জল, খেয়েছেন গ্রিন তাই কারি—যা কিনা শুভশ্রী গঙ্গোপাধ্যায় তাঁকে খেতে শিখিয়েছিলেন। আর তার মাঝেই চলেছে মনভোলানো কেনাকাটা। প্রেমিকার জন্য জুতো, মানানসই পোশাক, এমনকি মিউজ়িক সিস্টেমও কিনে ফেলেছেন, কারণ ঐন্দ্রিলা গান শুনতে ভালোবাসেন। নিজের ভাগ্যে জুটেছে শুধুই একটি বড় সাইজের জুতো, যাতে ঐন্দ্রিলার সঙ্গে ম্যাচিং করে পরা যায়!

তবে রোদে পুড়ে গিয়ে নিজের ত্বকের অবস্থা নিয়ে খানিকটা আক্ষেপ রয়েছে তাঁর। মজা করে বললেন, “বিদেশ থেকে এতটা কালো হয়ে ফিরি, যে ত্বকের যত্ন না নিলে মুখে চেনাই যায় না।” ঐন্দ্রিলা কি চিনতে পারছেন না? প্রশ্ন শুনে অঙ্কুশের হেসে ওঠা আর রসিকতা যেন এই গল্পকে আরও নিখাদ করে তোলে।

শহরে ফিরেই ডাবিংয়ের ব্যস্ততা শুরু। তবুও সময় বার করে ফোনে হাসি-মশকরার ফাঁকে প্রেম, পরিশ্রম আর প্যাশনের এক অসামান্য গল্প শোনালেন অঙ্কুশ।

বাড়ির খাবারেও বাড়তে পারে কোলেস্টেরল: প্রাতরাশে এই ৫ খাবার খাবেন না কেন?

Follow us on Google News Get real-time updates & exclusive sports coverage
Follow

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *