তার পরেই ৬ উইকেট নিয়ে ইরানি কাপ জেতালেন বাংলার পেসার!
একটি ওভার। আর সেই এক ওভারই বদলে দিল ইরানি কাপের ম্যাচের ছবি। জম্মু-কাশ্মীরের বিরুদ্ধে অবশিষ্ট ভারতের জয়ের নায়ক বাংলার পেসার মুকেশ কুমার। দ্বিতীয় ইনিংসে ৬ উইকেট নিয়ে দলকে ১৬৭ রানে জেতালেন তিনি। অথচ একটু আগেই তাঁকে বোলিং থেকে সরিয়ে দেওয়ার কথা ভাবছিলেন অধিনায়কের দায়িত্বে থাকা সরফরাজ় খান।
ঋষভ পন্থের অনুপস্থিতিতে নেতৃত্ব সামলাচ্ছেন সরফরাজ়। জম্মু-কাশ্মীরের দ্বিতীয় ইনিংসের ১৩তম ওভারের আগে বোলিং পরিবর্তনের কথা ভাবছিলেন তিনি। ঠিক তখনই তাঁর কাছে গিয়ে কিছু বলেন মুকেশ। হাতের ইশারায় আরও একটি ওভার চেয়ে নেন বাংলার পেসার।
সেই ওভারেই যেন নিজের কথা সত্যি করে দেখালেন মুকেশ। চতুর্থ বলে শুভম পুন্ডিরকে আউট করেন। পরের বলেই বোল্ড করেন জম্মু-কাশ্মীরের অধিনায়ক পরশ ডোগরাকে। প্রথম ইনিংসে ৭৫ রান করে দলের অন্যতম ভরসা হয়ে উঠেছিলেন পরশ। তাঁর উইকেট পড়তেই জম্মু-কাশ্মীরের লড়াই অনেকটাই শেষ হয়ে যায়।
ধারাভাষ্যকারও মুকেশের সেই মুহূর্তের প্রশংসা করেন। তাঁর কথায়, মুকেশ একটি ওভার চেয়েছিলেন এবং সেই ওভারেই দুই উইকেট এনে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। শেষ পর্যন্ত সেটাই করে দেখান তিনি। সেই ওভারটিই অবশিষ্ট ভারতের জয়ের পথ অনেকটা পরিষ্কার করে দেয়।
তবে মুকেশের কাজ তখনও শেষ হয়নি। একের পর এক উইকেট তুলে জম্মু-কাশ্মীরের ইনিংস গুটিয়ে দেন তিনি। কানহাইয়া ওয়াধওয়ানকে আউট করার পর শেষ তিন উইকেটও নিজের ঝুলিতে নেন বাংলার পেসার। আবিদ মুসতাক, উমর নাজ়ির এবং সুনীল কুমার—তাঁর শিকার একে একে সকলেই।
সব মিলিয়ে ১০.৪ ওভার বল করে ৩৩ রান দিয়ে ৬ উইকেট নেন মুকেশ। তাঁর দুরন্ত বোলিংয়েই জম্মু-কাশ্মীরের দ্বিতীয় ইনিংস দ্রুত শেষ হয়ে যায়। ১৬৭ রানে ম্যাচ জিতে ইরানি কাপ ঘরে তোলে অবশিষ্ট ভারত।
ম্যাচের ফলাফলের চেয়েও তাই মনে থাকবে মুকেশের সেই ছোট্ট অনুরোধ—‘আর একটা ওভার দাও।’ সেই আস্থার প্রতিদান ছয় উইকেট দিয়ে দিলেন বাংলার পেসার।
রাহার জন্মের পর দ্রুত ওজন কমিয়ে কটাক্ষের শিকার আলিয়া, কী ছিল তাঁর রহস্য?।