অনুপ্রবেশ ইস্যুতে ফের তপ্ত বাংলা, শুভেন্দুর প্রশংসায় সরব অমিত শাহ

অনুপ্রবেশ ইস্যুতে ফের তপ্ত বাংলা! বাংলার সীমান্ত রাজনীতি আবারও জাতীয় স্তরে চর্চার কেন্দ্রে। এ বার পশ্চিমবঙ্গে বাংলাদেশি অনুপ্রবেশের প্রসঙ্গ তুলে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর ভূয়সী প্রশংসা করলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী Amit Shah।…

May 29, 2026
1 min read

অনুপ্রবেশ ইস্যুতে ফের তপ্ত বাংলা!

বাংলার সীমান্ত রাজনীতি আবারও জাতীয় স্তরে চর্চার কেন্দ্রে। এ বার পশ্চিমবঙ্গে বাংলাদেশি অনুপ্রবেশের প্রসঙ্গ তুলে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর ভূয়সী প্রশংসা করলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী Amit Shah। বৃহস্পতিবার Gandhinagar-এ এক জনসভা থেকে তিনি দাবি করেন, আগের সরকারের আমলে সীমান্ত দিয়ে প্রতিদিন অনুপ্রবেশ ঘটত, কিন্তু বর্তমান প্রশাসন কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ায় পরিস্থিতি বদলাতে শুরু করেছে।

শাহের কথায়, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আমলে প্রতিদিন সীমান্ত পেরিয়ে অনুপ্রবেশ হত। এখন সরকার বদলেছে, আর সেই কারণেই সীমান্ত সুরক্ষায় কড়া পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।” তাঁর বক্তব্যে সবচেয়ে বেশি উঠে আসে বিএসএফের জন্য জমি হস্তান্তরের প্রসঙ্গ। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দাবি, মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী দ্রুততার সঙ্গে সীমান্ত এলাকায় পরিকাঠামো গড়ার কাজ এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন।

সম্প্রতি সমাজমাধ্যমে পোস্ট করে শুভেন্দু জানিয়েছেন, ইতিমধ্যেই বিএসএফের হাতে প্রায় ১৪২.৭৯ একর জমি তুলে দেওয়া হয়েছে। সেই জমিতে নতুন সীমান্ত চৌকি এবং কাঁটাতারের বেড়া তৈরির পরিকল্পনা রয়েছে। সবচেয়ে বেশি জমি দেওয়া হয়েছে সীমান্তবর্তী Murshidabad জেলায়। প্রশাসনের দাবি, সীমান্ত সুরক্ষা আরও জোরদার করতেই এই পদক্ষেপ।

অনুপ্রবেশ ইস্যুতে আরও এক ধাপ এগিয়ে শাহ বলেন, যাঁরা স্বেচ্ছায় বাংলাদেশে ফিরে যেতে চান, তাঁদের বিরুদ্ধে কড়া আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে না। এই বক্তব্যের সঙ্গে মিল পাওয়া যাচ্ছে শুভেন্দুর আগের ঘোষণারও। তিনি জানিয়েছিলেন, যাঁরা নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন বা সিএএ-র আওতায় পড়বেন না, তাঁদের চিহ্নিত করে বিএসএফের হাতে তুলে দেওয়া হবে।

এ দিকে সীমান্তবর্তী এলাকার জনবিন্যাস নিয়েও কেন্দ্রের উদ্বেগ স্পষ্ট। জানা গিয়েছে, সীমান্ত থেকে ৫০ কিলোমিটারের মধ্যে জনসংখ্যার চরিত্র বদল হচ্ছে কি না, তা খতিয়ে দেখতে উচ্চস্তরের কমিটি গঠন করেছে কেন্দ্র। পাশাপাশি বিএসএফকেও নজরদারি বাড়ানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

রাজনৈতিক মহলের মতে, আগামী বিধানসভা নির্বাচনের আগে অনুপ্রবেশ ইস্যুকে বড় রাজনৈতিক অস্ত্র করেই এগোতে চাইছে বিজেপি। অন্য দিকে বিরোধীদের অভিযোগ, এই ইস্যু তুলে বিভাজনের রাজনীতি করা হচ্ছে। তবে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্য স্পষ্ট করে দিল, সীমান্ত ও অনুপ্রবেশ প্রশ্নে আগামী দিনে রাজ্য-রাজনীতিতে উত্তাপ আরও বাড়তে চলেছে।

রাহার জন্মের পর দ্রুত ওজন কমিয়ে কটাক্ষের শিকার আলিয়া, কী ছিল তাঁর রহস্য?

Follow us on Google News Get real-time updates & exclusive sports coverage
Follow

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *