অনন্যার হলুদের ফেসপ্যাকেই পুজোর আগে ত্বকে জেল্লা?
পুজোর আগে ত্বকে বাড়তি জেল্লা আনতে পার্লারে ছুটছেন অনেকেই। কিন্তু তার জন্য সব সময় দামি ট্রিটমেন্টের প্রয়োজন হয় না। বলিপাড়ার অভিনেত্রী অনন্যা পাণ্ডেও ত্বকের যত্নে ঘরোয়া উপায়ের উপর ভরসা রাখেন বলে জানিয়েছেন। তাঁর পছন্দের ফেসপ্যাকে রয়েছে মাত্র তিনটি উপকরণ—হলুদ, মধু এবং দই।
কী দিয়ে তৈরি অনন্যার ফেসপ্যাক?
এই ঘরোয়া ফেসপ্যাক তৈরি করতে প্রয়োজন দই, মধু এবং সামান্য হলুদ। তিনটি উপকরণ একসঙ্গে মিশিয়ে মুখে লাগিয়ে কিছুক্ষণ রেখে ধুয়ে ফেলতে পারেন। তবে প্রথম বার ব্যবহারের আগে ত্বকের ছোট অংশে প্যাচ টেস্ট করে নেওয়া ভাল।
অনন্যার মতো ত্বকের জেল্লা পাওয়ার আশায় নিয়মিত রূপচর্চা করতে পারেন, তবে কারও ত্বকে একই উপাদান একই ভাবে কাজ করবে—এমনটা ধরে নেওয়া ঠিক নয়।
দইয়ের গুণ
দইয়ে থাকা ল্যাকটিক অ্যাসিড ত্বকের উপর জমে থাকা মৃত কোষ আলগা করতে সাহায্য করতে পারে। ফলে ত্বক তুলনামূলক মসৃণ ও সতেজ দেখাতে পারে। দইয়ের আর্দ্রতাও ত্বককে কিছুটা নরম রাখতে সাহায্য করে।
তবে সংবেদনশীল ত্বকে অ্যাসিডিক উপাদান ব্যবহারে জ্বালা বা অস্বস্তি হতে পারে। তাই বেশি সময় মুখে রেখে দেওয়া ঠিক নয়।
হলুদ ও মধু কেন?
হলুদে থাকা কারকিউমিনের জন্য উপাদানটির প্রদাহ-প্রতিরোধী বৈশিষ্ট্য নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই আলোচনা রয়েছে। ঘরোয়া ফেসপ্যাকে অল্প পরিমাণ হলুদ ব্যবহার করা হয় ত্বককে সতেজ দেখানোর উদ্দেশ্যে।
অন্য দিকে, মধু একটি হিউমেকট্যান্ট। অর্থাৎ এটি আর্দ্রতা ধরে রাখতে সাহায্য করে। ফলে ত্বক কিছুটা নরম ও মসৃণ অনুভূত হতে পারে।
পুজোর আগে ব্যবহারে সতর্কতা
ঘরোয়া ফেসপ্যাক মানেই যে সবার ত্বকের জন্য নিরাপদ, তা নয়। সপ্তাহে এক-দু’বারের বেশি ব্যবহার না করাই ভাল। বিশেষ করে ব্রণ, একজ়িমা, রোসেসিয়া বা ডার্মাটাইটিসের মতো ত্বকের সমস্যা থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া নতুন কিছু মুখে না লাগানোই নিরাপদ।
মুখে লাগানোর পর জ্বালা, চুলকানি, লালচে ভাব বা অতিরিক্ত শুষ্কতা দেখা দিলে সঙ্গে সঙ্গে ধুয়ে ব্যবহার বন্ধ করুন। আর পুজোর আগে ত্বক ভাল রাখতে ঘরোয়া প্যাকের পাশাপাশি পর্যাপ্ত ঘুম, জলপান এবং নিয়মিত সানস্ক্রিন ব্যবহারের দিকেও নজর দিন।
রাহার জন্মের পর দ্রুত ওজন কমিয়ে কটাক্ষের শিকার আলিয়া, কী ছিল তাঁর রহস্য?।