৯৮০ ঘণ্টার পরিশ্রমে তৈরি ‘দুবাই ড্রেস’!
দুবাইয়ের শিল্পীরা তৈরি করেছেন এক অবিশ্বাস্য সোনার পোশাক, যা গিনেস বুক অফ ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে স্থান করে নিয়েছে। নাম দেওয়া হয়েছে ‘দুবাই ড্রেস’, যা শুধু দেখার জন্য নয়, গায়ে পরার জন্যও তৈরি।
✨ ‘দুবাই ড্রেস’-এর বিশেষত্ব
- মোট ওজন: ১০.০৮১২ কেজি
- সোনার পরিমাণ: ১০ কেজি, ন্যূনতম খাদ মেশানো ২২ ক্যারাটের সোনা
- নকশা ও কারুকাজ: মিনাকারী নকশা, হিরে, চুনি, পান্না এবং ফিরোজা রঙের কারুকাজ
- শিল্পীদের পরিশ্রম: টানা ৯৮০ ঘণ্টা
দুবাইয়ের শিল্পীরা দেশের ভাবমূর্তিকে মাথায় রেখে নাম দিয়েছেন ‘দুবাই ড্রেস’।
📊 ড্রেসের চারটি ভাগ ও ওজন
| অংশ | ওজন (গ্রাম) |
|---|---|
| নেকলেস (মূল সোনার পোশাক) | 8,810.60 |
| মুকুট ও টায়রা | 398 |
| কানের দুল | 134.1 |
| কোমরের বেল্ট (হিয়ার) | 738.5 |
এই জড়ো গয়না জালি নকশার কারুকাজে তৈরি এবং সোনার উপরে হিরে, চুনি, পান্না বসানো হয়েছে।
💰 দাম ও মূল্যায়ন
দুবাইয়ের সংস্থার মতে, এই পোশাকের দাম নির্ধারিত হয়েছে ৪৬ লক্ষ আরব দিরহাম, যা ভারতীয় মুদ্রায় প্রায় ১১ কোটি টাকার সমান। তবে, ভারতীয় ট্যাক্স যোগ করলে এর দাম আকাশ ছোঁয়া।
- ১০ কেজি সোনার মূল্য: প্রায় ১১.৬ কোটি টাকা (ভারতে ১০০ গ্রাম = ১১.৬ লক্ষ টাকা ধরা হলে)
- নকশা ও কারুকাজের মূল্য: এছাড়া যোগ হয় কারুকাজ ও নকশার মূল্য
🔹 আরও পড়ুন (Internal Links)
🌐 External References
✨ উপসংহার
দুবাই ড্রেস কেবল দেখার জন্য নয়, এটি সোনার শিল্পকর্মের এক উদ্ভাবনী প্রতীক। টানা ৯৮০ ঘণ্টার পরিশ্রম, মিনাকারী নকশা, এবং দামী রত্ন-মণি মিলিয়ে এই পোশাকের মান ও প্রাচুর্য বিশ্বের যে কোনো দেশে বিরল।

