১৫০ টাকার টিকিট বিক্রি হচ্ছে ১.৩০ লক্ষ টাকায়!
মহিলাদের বিশ্বকাপ ফাইনাল ঘিরে উন্মাদনা তুঙ্গে। কিন্তু খেলার আগে মাঠের বাইরেই শুরু হয়েছে বড় বিতর্ক। ১৫০ টাকার টিকিট বিক্রি হচ্ছে ১ লক্ষ ৩০ হাজার টাকায়! ডিওয়াই পাটিল স্টেডিয়ামের বাইরে হাজার হাজার সমর্থক টিকিটের আশায় সারারাত অপেক্ষা করেও ফিরে যাচ্ছেন খালি হাতে।
👉 সূত্র: ICC অফিসিয়াল ওয়েবসাইট
🏏 টিকিট বিতর্কের পটভূমি
| বিবরণ | তথ্য |
|---|---|
| ম্যাচ | মহিলা বিশ্বকাপ ফাইনাল ২০২৫ |
| স্থান | ডিওয়াই পাটিল স্টেডিয়াম, নবি মুম্বই |
| মূল টিকিট মূল্য | ₹100–₹150 |
| কালোবাজারি দাম | ₹1.30 লক্ষ (ভিআইপি সেকশন) |
| টিকিট বিক্রয় মাধ্যম | অনলাইন ও সীমিত অফলাইন |
ভারত ফাইনালে ওঠার পর থেকেই শুরু হয় টিকিটের উন্মাদনা। অনেকেই ৩৬–৪০ ঘণ্টা ধরে লাইন দিয়েও টিকিট পাননি। বোর্ডের তরফে কোনও স্পষ্ট বার্তা না থাকায় ক্ষোভে ফুঁসছেন সমর্থকরা।
🎟️ কীভাবে বাড়ল টিকিটের দাম?
ফাইনালের আগের দিন বিক্রি শুরু হওয়ার কয়েক মিনিটের মধ্যেই অনলাইন টিকিট ফুরিয়ে যায়। এরপর কিছু ওয়েবসাইটে রিসেল প্ল্যাটফর্মে টিকিট পুনরায় বিক্রি শুরু হয়।
একটি টিকিটের দাম যেখানে ₹150, সেখানে ভিআইপি B-L1 বিভাগের টিকিটের দাম পৌঁছে গেছে ₹1,36,187 পর্যন্ত!
👉 বিস্তারিত দেখুন Economic Times-এর প্রতিবেদন
😡 সমর্থকদের ক্ষোভ ও আইসিসি-র নীরবতা
সমর্থকদের দাবি, “ভারত ফাইনালে উঠলে টিকিটের চাহিদা বাড়বে এটা আইসিসি-র আগেই বোঝা উচিত ছিল।”
অনেকেই সামাজিক মাধ্যমে লিখেছেন, “ফাইনাল ম্যাচে প্রবেশাধিকার ধনীদের জন্য সীমাবদ্ধ করা হচ্ছে।”
২০২৩ বিশ্বকাপের সময়ও টিকিট নিয়ে একইরকম কালোবাজারির অভিযোগ উঠেছিল, তখনও সমালোচনার মুখে পড়ে ছিল বোর্ড।
আরও পড়ুন 👉
📊 কালোবাজারি টিকিট দামের তুলনামূলক চার্ট
| টিকিট বিভাগ | মূল দাম (₹) | কালোবাজারি দাম (₹) |
|---|---|---|
| জেনারেল সিট | 100 | 5,000–10,000 |
| প্রিমিয়াম সিট | 150 | 50,000–80,000 |
| ভিআইপি সেকশন | 150 | 1,30,000–1,36,000 |
📢 আইসিসি ও বোর্ডের প্রতিক্রিয়া
এখনও পর্যন্ত আইসিসি বা বিসিসিআই কেউই এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক মন্তব্য করেনি। তবে ক্রিকেট বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, “ডিজিটাল যাচাই-বাছাই ছাড়া টিকিট বিক্রির কারণে কালোবাজারির সুযোগ তৈরি হচ্ছে।”
👉 এ বিষয়ে আরও জানতে পড়ুন Moneycontrol রিপোর্ট
🏁 উপসংহার
ভারতের মহিলা ক্রিকেট দল ফাইনালে ইতিহাস গড়ার মুখে, কিন্তু টিকিট বিতর্কে ফোকাস ঘুরে গেছে মাঠ থেকে মাঠের বাইরের দিকে। সমর্থকদের আশা, অন্তত ভবিষ্যতের বড় টুর্নামেন্টে বোর্ড ও আইসিসি আরও স্বচ্ছ নীতি গ্রহণ করবে।
সম্পর্কিত প্রবন্ধ:

