বহুতলে বাজি বিক্রি!
বেহালার এক বহুতল আবাসনে ঘটল এমন এক ঘটনা যা আবারও নাগরিক সচেতনতার প্রশ্ন তুলল। অভিনেত্রী শ্রীলেখা মিত্র রবিবার সন্ধ্যায় আবাসনের নীচে হঠাৎই দেখতে পান— বদ্ধ জায়গার ভিতরেই চলছে আতসবাজি বিক্রি! অনুমতি ছাড়া এমন বিপজ্জনক কাজ দেখে তিনি ক্ষোভে ফেটে পড়েন।
🔥 শ্রীলেখার প্রতিবাদ ও প্রশ্ন
শ্রীলেখা মিত্র সরাসরি বলেন,
“মানুষ কবে থেকে এত বোকা হল যে আবাসনের ভিতরে বাজি বিক্রি করছে?”
তিনি জানান, খোলা জায়গায় হলে কিছু বলতেন না, কিন্তু বদ্ধ বহুতল আবাসনে বাজি বিক্রি মানেই বিপদ ডেকে আনা। কোনওভাবে আগুন লাগলে প্রাণহানির আশঙ্কা প্রবল।
| বিষয় | শ্রীলেখার বক্তব্য |
|---|---|
| বিক্রির স্থান | আবাসনের ভিতরে, বদ্ধ জায়গায় |
| অনুমতি | নেই, তবু চলছে বিক্রি |
| প্রতিক্রিয়া | প্রতিবাদ ও থানায় অভিযোগ |
| ঝুঁকি | আগুন লাগার আশঙ্কা, প্রাণহানির ভয় |
👮 পুলিশের ভূমিকা
অভিনেত্রীর অভিযোগ পাওয়ার পর হরিদেবপুর থানার পুলিশ দ্রুত আবাসনে পৌঁছে যায়। কিন্তু তাতেই নতুন নাটক—
যিনি আবাসনের দেখভালের দায়িত্বে, তিনি পুলিশ অফিসারকে চাকরি খাওয়ানোর হুমকি দেন! শ্রীলেখা পুরো ঘটনাটি ভিডিও করে নিজের পরিচিতদের সঙ্গে ভাগ করে নেন।
তিনি বলেন,
“পুলিশকে খবর দিয়েছিলাম। কিন্তু যিনি দেখভালের দায়িত্বে, তিনি উল্টে অফিসারকে হুমকি দেন! শাসকদলের মদত না থাকলে এমন সাহস হয়?”
💬 সমাজের নীরবতা ও শ্রীলেখার ক্ষোভ
শ্রীলেখার ক্ষোভের অন্যতম কারণ— সবার নীরবতা।
“আমি পথপশুদের খাওয়ালে সবাই আপত্তি করে, কিন্তু বদ্ধ জায়গায় বাজি বিক্রি হলে কেউ মুখ খোলে না!”
তিনি জানান, পুলিশ যাওয়ার পর আপাতত দোকান বন্ধ থাকলেও বাজিগুলো এখনও সরানো হয়নি। তাঁর মতে, “বাজিগুলোও সরাতে হবে, না হলে বড় দুর্ঘটনা হতে পারে।”
📊 সচেতন নাগরিকের ভূমিকা
দীপাবলির আগে এই ঘটনা আবারও মনে করিয়ে দেয়, নিরাপত্তা মানেই দায়িত্ব।
| বিষয় | করণীয় |
|---|---|
| আবাসনে বাজি বিক্রি | অবিলম্বে পুলিশে খবর দিন |
| অনুমতি ছাড়া বিক্রি | ফায়ার ডিপার্টমেন্টে রিপোর্ট করুন |
| বিপদের সম্ভাবনা | প্রতিবেশীদের সচেতন করুন |
🌐 সম্পর্কিত ও প্রাসঙ্গিক লিঙ্ক
- পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে অভিযোগ জানান
- National Green Tribunal-এর নির্দেশিকা বাজি পোড়ানো নিয়ে
- তৃণমূল সরকার কাজ দেয় না, তা-ও সংসার চালাতে পারছি: শ্রীলেখা (internal link)
- দীপাবলির সময় ত্বক ও স্বাস্থ্যের যত্ন নিন (internal link)
শেষ কথা:
শ্রীলেখা মিত্রের প্রতিবাদ শুধু বাজি বিক্রির বিরুদ্ধে নয়, এটি নাগরিক সচেতনতার এক দৃষ্টান্ত। প্রশাসন যদি দ্রুত পদক্ষেপ নেয় এবং মানুষ যদি নীরব না থাকে, তবে এমন বিপজ্জনক কাজ আর কখনও ঘটবে না।

