দিদি শেহনাজ়ের অবসাদে ডুবে যাওয়া!
ছোট বয়সে শাহরুখ খান বাবাকে হারান। কিছু বছর পর মৃত্যু হয় মায়ের। তারপরে পরিবার বলতে একমাত্র দিদি শেহনাজ় লালারুখ। বাবা-মায়ের মৃত্যুর ধাক্কা দিদির ওপর গভীর প্রভাব ফেলে। এমনকি মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করতে দেখা যায় তাকে। কিন্তু শাহরুখ নিজেকে অবসাদে ডুবতে দেননি।
👨👩👧 শেহনাজ় ও শাহরুখের সম্পর্ক
| বিষয় | বিবরণ |
|---|---|
| দিদি | শেহনাজ় লালারুখ, আইন নিয়ে পড়াশোনা করেছেন |
| শেহনাজ়ের অবস্থা | বাবা-মায়ের মৃত্যুতে মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলেন, দুই বছর শূন্যের দিকে তাকিয়ে ছিলেন |
| শাহরুখের মনোভাব | নিজেকে অবসাদে ডুবতে দেননি, অভিনয়কে শান্তির জায়গা বানিয়েছেন |
🎬 সুইৎজ়ারল্যান্ডে চিকিৎসা
১৯৯৫ সালে ‘দিলওয়ালে দুলহানিয়া লে যায়েঙ্গে’ ছবির শুটের সময় শেহনাজ় অসুস্থ হয়ে পড়েন। শাহরুখ তাঁকে সুইৎজ়ারল্যান্ডে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যান। হাসপাতালে ভর্তি অবস্থায় শরীরে পটাশিয়ামের ঘাটতি ছিল। চিকিৎসকেরা আশাহত, কিন্তু শাহরুখ দিদিকে সহায়তার হাত বাড়িয়ে দেন। এমন সময়ও তিনি শুটে কাজ করছিলেন।
🧠 মানসিক শক্তি ও coping mechanism
শাহরুখ খান বলেন,
“আমার কাছে অভিনয়টাই শান্তির জায়গা। যাতে অবসাদে ডুবে না যাই, তাই আমি রসিকতা করি, ঠাট্টা করি। মানুষকে নিয়ে রসিকতা করেই দিন কাটাই।”
তিনি নিজের অবসাদ শিল্প ও হাস্যরস দিয়ে সামলান। পরিবারের কাছের মানুষ হারানোর বেদনা থাকলেও তিনি আত্মনিয়ন্ত্রণ বজায় রাখেন।

